মোঃ ইজাবুল আলম
আমার জীবনী ও পরিচিতি
======================================================
আমি মোঃ ইজাবুল আলম, পিতাঃ মোঃ আব্দুল করিম
সরকার রহিমাহুল্লাহ, গ্রামঃ নয়ানী সাদেকপুর, পোঃ বিষ্ণুপুর, উপজেলাঃ গাইবান্ধা সদর, জেলাঃ গাইবান্ধা।
আমি ১৯৮৬ সালে গাইবান্ধা সদর উপজেলাধীন শিবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
থেকে বৃত্তি সহকারে পঞ্চম শ্রেণি পাশ করে ১৯৮৭ সালে গাইবান্ধা সদর উপজেলাধীন ঐতিহ্যবাহী
তুলসীঘাট কাশীনাথ উচ্চ বিদ্যালয়ে ষষ্ঠ শ্রেণিতে
ভর্তি হই।
১৯৯২ সালে তুলসীঘাট কাশীনাথ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি (বিজ্ঞান বিভাগ) পাশ
করি।
উল্লেখ্য যে আমি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও উচ্চ
বিদ্যালয়ে বরাবরই ফার্স্টবয় ছাত্র ছিলাম।
এরপর এইচএসসি (বিজ্ঞান বিভাগ) রংপুর কারমাইকেল
বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ এ ভর্তি হয়ে ১৯৯৪ সালে কৃতিত্বের সহিত পাশ করি।
এরপর ১৯৯৬ সালে বিএসএস ও ১৯৯৮ সালে একই কলেজ
থেকে কৃতিত্বের সহিত মাস্টার্স পাশ করি।
১৯৯৬ সালে বিএসএস পাশ করার পর রংপুর 'ল' কলেজে ভর্তি হই। দুই বছর পড়ার পর কোনো এক কারণে ফাইনাল পরীক্ষা দেয়া হয়নি।
একই বছরে HMFC PC RMC রংপুর থেকে পল্লী চিকিৎসা কোর্স সম্পন্ন করি।
রংপুর কারমাইকেল কলেজে অধ্যয়নকালে রংপুরের ঐতিহাসিক পত্রিকা "দৈনিক দাবানল" এ স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে সাংবাদিকতা করতাম। পত্রিকার সম্পাদক মোস্তফা বাটুল সাহেব মারা যাওয়ার পর বর্তমানে পত্রিকাটি বন্ধ আছে।
এসময়ে "রংপুর মডার্ন প্রি-ক্যাডেট এন্ড কিন্ডারগারটেন" এ অধ্যক্ষ হিসেবে শিক্ষকতা শুরু করেছিলাম।
এরপর ছাত্র জীবনে তথা ১৯৯৬ সালে এলাকার হতদরিদ্রদের উন্নয়ন ও বেকারত্ব দূরীকরনে সরকারি অনুমোদন সাপেক্ষে ‘‘RHASEDO’’ নামক একটি NGO প্রতিষ্ঠা করি। কিন্তু এলাকার দুষ্টচক্রের পাল্লায় পড়ে তিন বছরের বেশী এনজিওটি পরিচালনা করতে পারিনি। এখনো এলাকায় লক্ষ লক্ষ টাকা পড়ে আছে যা পরবর্তীতে আর উত্তোলন করা সম্ভব হয়নি।
এরপর মাস্টার্সে অধ্যয়নকালে সরকারি প্রাথমিক
বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে আমার চাকরি হয় এবং পরবর্তীতে প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি হয়। আমি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতাকালীন URC এর অধীনে গণিত বিষয়ে একজন ফ্যাসিলিটেটর ছিলাম। তথা ঐ উপজেলাধীন সকল শিক্ষকদের প্রশিক্ষক ছিলাম।
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতাকালে আমি তিনবার বিসিএস এর ভাইভা দিয়ে 'অনুত্তীর্ণ হই। ছোটবেলা থেকেই খুব ইচ্ছে ছিলো আমি একজন বিসিএস ক্যাডার হবো। কিন্তু সেই ইচ্ছে আর পূরণ হয়নি। এরমাঝেই আমার ডিজিএফআই এ সিভিল গোয়েন্দা হিসেবে সিকিউরিটি সাব-ইন্সপেক্টর পদে চাকরি হয় এবং প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চাকরি ইস্তফা দিয়ে ডিজিএফআই এ যোগদান করি।
বর্তমানে আমি বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি
করে জীবন অতিবাহিত করছি।
আমি ছোটবেলা থেকেই কবিতা ও উপন্যাসসহ বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করতাম।ইন্টারনেটের যুগ আসায় কবিতা ও উপন্যাস লেখা বাদ দিয়ে আমি ২০১৯ সাল থেকে ইসলামি বিভিন্ন বিষয়ের উপর লেখালেখি করে আসছি ও আমার লেখা বইগুলো নিজেস্ব ব্লগে নিয়মিত প্রকাশ করছি।
এছাড়া ‘‘BDC CRIME NEWS24’’ নামক একটি
অনলাইন পত্রিকায় সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি এবং নিয়মিত সংবাদ প্রকাশ করা হচ্ছে।
এছাড়া সাধারণ জ্ঞান, সিকিউরিটি রিলেটেড বিষয় ও এইচআর রিলেটেড বিষয় নিয়ে আমার লেখাগুলো ব্লগে নিয়মিত প্রকাশ করা হচ্ছে।
বাংলাদেশ বেসরকারি চাকরিজীবিদের
কল্যাণার্থে ও বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা আদায় এবং আইনী সহায়তাসহ বিভিন্ন সামাজিক কর্ম পালনসহ ‘‘BANGLADESH PRIVATE EMPLOYEES WELFARE SOCIETY’’-BPEWS (বাংলাদেশ বেসরকারি চাকরিজীবি
কল্যাণ সমিতি) নামক একটি সংগঠন তৈরী করা হয়েছে যা বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত।
উক্ত সংগঠনের প্রথম উদ্যোক্তা আমি নিজে। বর্তমানে আমি উক্ত সংগঠনের সেক্রেটারি হিসেবে
দায়িত্ব পালন করছি।
বাংলাদেশের বেকারত্ব দূরীকরণে সিকিউরিটি কোম্পানিগুলো বিশাল একটি অবদান রাখছে। সেই লক্ষ্যে আমি হোয়াটসএ্যাপ এ ‘‘SECURITY JOB RECRUITMENT PLATFORM’’ নামে একটি গ্রুপ খুলেছি। এই গ্রুপ থেকে প্রতিদিন অনেক লোকের চাকরি হচ্ছে। উক্ত গ্রুপের এ্যাডমিন হিসেবে
আমি দায়িত্ব পালন করে আসছি। এছাড়া
আমি যেসব বিষয়ের উপর লেখালেখি করে
নিয়মিত ব্লগে প্রকাশ করে আসছি তার ঠিকানা নিম্নে উল্লেখ করা হলোঃ (এদের উপর ক্লিক করুন)
(খ) মহাপরিচালক-MEDINA SAHIH HADITH RESEARCH CENTER (MSHRC)
(গ) মহাপরিচালক-PURE MUSLIM MAKING RESEARCH CENTER (PMMRC)
(ঘ) ডাইরেক্টর-BBC -Bangladesh BCS Coaching
(ঙ) প্রিন্সিপ্যাল-BANGLADESH ONLINE UNIVERSITY (BOU)
(চ) ডাইরেক্টর-PRIVATE INVESTIGATION SERVICES (PIS)
(ছ) প্রিন্সিপ্যাল-PGDHRM TRAINING INSTITUTE
(জ) সেক্রেটারি- BANGLADESH PRIVATE EMPLOYEES WELFARE SOCIETY
